নির্বাচনের পূর্বের ইস্যু স্থান পেল না কাটিগড়ায় । মুখ্য লড়াই মহাজোট বনাম বিজেপি। প্রচারে এগিয়ে মহাজোট।

ডিজিটাল ডেস্ক: আসামের বিধানসভা নির্বাচন ঘনিয়ে আসার সাথে সাথে কাছাড় জেলার কাটিগড়া সমষ্টির নির্বাচনী তৎপরতা বৃদ্ধি পাচ্ছে। এই সমষ্টি তে লড়াই হবে বিজেপি প্রার্থী ও মহাজোট থেকে কংগ্রেসের প্রার্থী খলিল উদ্দিন মজুমদার । নির্বাচনের পূর্বে এই সমষ্টি তে একটি বিষয়ে কিছু স্থান পেয়ে ছিল কিন্তু সেই বিষয়ে নির্বাচন থেকে মুছে গেছে । সমষ্টির কিছু সংখ্যাক লোক দাবি করেছিল স্থানীয় প্রার্থী দেওয়ার কিন্তু উভয় দল স্থানীয় প্রার্থী দেয়ে নি। অবশ্য খলিল বিগত ৬ বছর থেকে এই সমষ্টি তে মানুষে পাশে ছিলেন। কিন্তু কাটলিছড়ার ৬ বারের বিধায়ক ও ৪ বারের কংগ্রেসী মন্ত্রী গৌতম কাটলিছড়ায় নিজের পায়ের তলায় মাটি নেই দেখে
কাটিগড়ায় নির্বাচন লড়ার ইচ্ছা প্রকাশ করেন ও বিজেপি দল তাকে প্রার্থী করে।

Job alert Contact

উল্লেখ্য, খলিল বিগত ৬ বছর থেকে সমষ্টি তে এ আই ইউ ডি এফ নেতা হিসাবে ছিলেন কিন্তু মহাজোটের ফলে সেই সমষ্টি কংগ্রেস কে দেওয়া হয় এবং উভয় দলের নেতৃত্ব খলিলের কাজে সন্তুষ্ট হয়ে সেই এ আই ইউ ডি এফ নেতা খলিল কে ই প্রার্থী হিসাবে বেছে নেয়। সমষ্টির কংগ্রেস দল ও খলিল কে এক দিনের ভিতর গ্রহণ করে নেয়। বিগত ৩৫ বছর এই আসন কংগ্রেসের দখলে আসেনি। বিগত বিধানসভা নির্বাচনের দিকে চোখ রাখলে দেখা যায় মহাজোট বিজেপি থেকে এগিয়ে। দলীয় মনোনয়ন পেয়ে খলিল উদ্দিন মজুমদার ও কংগ্রেস, এ আই ইউ ডি এফ কর্মীরা প্রচারে জাপিয়ে পড়েন ও ছুট ছুট সভার মাধ্যমে পুরো সমষ্টি কোনায় কোনায় প্রচার চালিয়ে যাচ্ছেন।

অন্যদিকে বিজেপি প্রার্থী গৌতম রায় ধক্ষ রাজনীতি বীদ। এলাকার গৌতম বিরোধী মানুষের মতে কাটলিছড়ায় নিজের অস্তিত্ব হারিয়ে নিজের অস্তিত্ব বাঁচাতে গৌতম এই সমষ্টি তে এসেছেন। গৌতম দক্ষ রাজনীতিবিদ তাই প্রচারে পিছিয়ে নন গৌতম বাবু। সমষ্টির কোনায় কোনায় প্রচার চালিয়ে যাচ্ছেন তিনি। প্রচারে কিছুটা হলে ও গৌতম কে ব্যাকফুটে দিয়েছে গৌতম পুত্র রাহুল রায়ের সিদ্ধান্ত। রাহুল উধারবন্দ থেকে ও নিজের স্ত্রী ডি আই জি সিং কে আলগাপূর সমষ্টি তে বিজেপির বিরুদ্ধে নির্দলীয় হিসাবে নির্বাচন লড়ছেন। রাহুলের এই সিদ্ধান্ত গৌতম বাবুকে পিছনে টেলে দিতে পারে। অবশ্য গৌতম রায় পুরেখাওয়া মানুষ তাই কী ভাবে নিজের পক্ষে জনমত আনতে হয় তাহা উনী ভালো জানেন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *